×
আমাদের সম্পর্কে

ছৌ নৃত্য মূলতঃ পূর্বভারতেই দেখা যায়। ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী অঞ্চলেই এই নৃত্য প্রচলিত দেখা যায়।


আমাদের সম্পর্কে

আরো দেখুন

পদ্ধতি

ছৌ মুখোশ তৈরি করতে প্রয়োজন হয় পেপার পাল্প অর্থাৎ কাগজের মণ্ড, কাদা এবং মাটি। মুখোশ তৈরী করতে এ’সব মৌলিক উপাদানগুলিকে নানা পদ্ধতি-প্রণালীর মধ্যে দিয়ে নিয়ে যেতে হয়।

আরো দেখুন

ছৌ নাচ কীভাবে হয়

ছৌ একটি ঐতিহ্যগত নৃত্যকলা। এই নাচ খোলা আকাশের নীচে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালের সাথে সাথে হয়। বাদ্যযন্ত্রগুলিও ঐতিহ্যগত, যেমন – ঢোল, ধামসা, চরচরি, টিকরা, নাগরা, মাহুরি, সানাই এবং বাঁশি।

আরো দেখুন

ছৌ মুখোশ

ঐতিহ্যবাহী দেবদেবী ও পৌরাণিক চরিত্র যেমন দূর্গা, শিব, কার্তিক, গনেশ, মহিষাসুর, অর্জুন, অভিমন্যু, কিরাত ইত্যাদি ছাড়াও শিল্পীরা বিভিন্ন পশুপাখি যেমন হরিণ, সিংহ ইত্যাদি মুখোশ'ও তৈরী করেন।

আরো দেখুন

বলরামপুরে অষ্টম ছৌ ঝুমুর উৎসব আয়োজিত হতে চলেছে আগামী ২০ থেকে ২২ ডিসেম্বর। এছাড়াও চৈত্র মাসে (এপ্রিলের মাঝামাঝি) গাজন উৎসবের সময়েও পুরুলিয়ার অধিকাংশ গ্রামেই ছৌ নাচ হয়।

Gallery

স্বীকার

GIছৌ নাচ ২০১০ সালে ইউনেস্কোর মানবজাতির প্রতিনিধিত্বমূলক পরম্পরাগত ঐতিহ্যের (UNESCO Representative List of the Intangible Cultural Heritage of Humanity) তালিকাভুক্ত হয়েছে।

পুরুলিয়ার ছৌ মুখোশ ২০১৮ সালে জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশনের (Geographical Indications – GI) তালিকাভুক্ত হয়। এই জি-আই স্বীকৃতি ছৌ মুখোশের ভৌগলিক উৎসস্থল-এর নিরিখে তার গুণমান ও বৈশিষ্ট্য সুনিশ্চিত করে।